শিল্প খাতের চাহিদাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা ও কারিগরি কোর্স প্রণয়ন করা হবে



শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের প্রতিনিধিদল যৌথভাবে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করে কারিকুলাম আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিল্প খাতের চাহিদাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। শিল্প খাতের প্রয়োজন অনুযায়ী কোর্স ও প্রশিক্ষণ কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হবে।


মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।



বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে চীনা ভাষা শিক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে কার্যরত প্রায় ১ হাজার চীনা কোম্পানিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভাষা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বিশ্বের অন্তত ১৭টি দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে।




তিনি আরও জানান, চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারে প্রাথমিকভাবে ৩০০টি স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতি স্কুলে দুটি করে শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের মাধ্যমে ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ৯টি ব্রডকাস্টিং সেন্টার স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট ল্যাবগুলোতে আধুনিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সরবরাহের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একটি পাইলট প্রকল্প চালু রয়েছে।

Countdown Refresh

Please Wait: 5 seconds



Post a Comment

Previous Post Next Post